ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস, কোনটি ব্যবহার করবেন?

ব্লগিং এর দ্বিতীয় পর্বে আজ আলোচনা করবো ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগিং করার জন্য কোনটি ব্যবহার করবেন। এবং ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস এর মধ্যে কি কি পার্থক্য বিদ্যমান।

এক নজরে আজকের বিষয়বস্তু –

ব্লগ এবং ওয়েবসাইট কি?

ব্লগ হল মূলত ওয়েবসাইটের একটি অংশ। যেখানে যে কোন ব্যক্তি নিজের ইচ্ছামত আর্টিকেল ছবি ভিডিও বা অন্যান্য ডকুমেন্টেশন প্রদর্শন করতে পারে। ব্লগ মূলত কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। যেখানে নিয়মিত তথ্য আপডেট করা হয়ে থাকে।

অপরদিকে ওয়েবসাইট হচ্ছে অনেকগুলো ওয়েবপেজের সমষ্টি, যেখানে বিভিন্ন বিষয় বা টপিকসের উপরের আলোচনা করা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইট মূলত নিয়মিত আপডেট করা হয় না নির্দিষ্ট সময় অন্তর এখানে আর্টিকেল পোস্ট করা হয়ে থাকে।
সুতরাং আপনি ব্লগে কিংবা ওয়েবসাইটের যেখানেই লেখালেখি করুন না কেন সেটাই ব্লগিং এর একটি অংশ।

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস তুলনামূলক আলোচনা?

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস এমন প্রশ্নের উত্তর খুজে বের করার পূর্বে, ব্লগিং এর প্লাটফর্ম সম্পর্কে কিছুটা ধারনা নেওয়া প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ব্লগিং প্লাটফর্ম গুলো হচ্ছে।

তবে ব্লগিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করতে এবং তা সম্পদে পরিণত করতে হলে আপনাকে নিজের একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে।

  • Blogger (ব্লগার)
  • WordPress (ওয়ার্ড প্রেস)

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস? প্রশ্নটা খুবই ঝামেলার। কারন ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস দুটি অনেক জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই লেখালেখি করতে পারেন। তবে ব্লগার যেহেতু গুগলের একটি প্ল্যাটফর্ম সেহেতু এখানে অনেক নিয়ম-কানুন রয়েছে। তবে ওয়ার্ডপ্রেস তুলনামূলকভাবে সবকিছু থেকে স্বাধীন। এখানে আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন যেকোন মতামত প্রকাশ করতে পারেন।

সুতরাং জনপ্রিয় এই দুটি প্ল্যাটফর্ম তথা ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস, কোন প্লাটফর্মে আপনি আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ এবং পার্থক্য নিম্নে আলোচনা করা হল।

ব্লগার কি?

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস এর পার্থক্যে প্রথমেই আলোচনা করা যাক ব্লগার সম্পর্কে। ব্লগার গুগলের একটি প্ল্যাটফর্ম। যেটি Pray Labs কর্তৃক তৈরি করা হয়েছিল এবং ২০০৩ সালে Google এটি কিনে নেয়। ফ্রিতে ব্লগিং করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হল ব্লগার।

শুধুমাত্র একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করেই ব্লগার এর মাধ্যমে আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারেন এখানে কোন প্রকার ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হয় না। কেননা গুগোল ফ্রিতে সাবডোমেইন প্রোভাইড করে থাকে যেমন “blogspot.com”। আপনি এই সাব-ডোমেইন ব্যবহার করেই ফ্রিতে ব্লগ তৈরি করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এবং আপনি চাইলে সেখানে প্রতিবছর নির্দিষ্ট একটি অর্থের বিনিময়ে টপ লেভেল ডোমেইনও যুক্ত করতে পারেন যেমন “example.com”

ব্লগারে কিভাবে ফ্রিতে ব্লগ তৈরি করবেন তা সম্পর্কে বিস্তারিত পরবর্তী আর্টিকেল গুলোতে আলোচনা করা হবে।

ব্লগার এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

সুবিধা

ব্লগারে ব্লগিং করলে কি কি সুবিধা সমূহ পাবেন তা নিম্নে আলোচনা করা হল।

  • ব্লগিং এর সবচেয়ে সহজ প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ব্লগার। এখানে আপনি কেবল রেজিস্ট্রেশন এর সাথে সাথেই ব্লগিং শুরু করতে পারেন।
  • বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে প্রচুর সংখ্যক সুন্দর সুন্দর থিম ব্যবহার করতে পারবেন। যেগুলোতে ফ্রি ভার্সন এবং প্রিমিয়াম ভার্সন দুটোই রয়েছে। উল্লেখ্য ব্লগারের প্রিমিয়াম থিম এর মূল্য ওয়ার্ডপ্রেস এর তুলনায় খুবই কম।
  • JPG, PNG, GIF, Picture Video যেকোনো ধরনের ডকুমেন্ট এখানে আপলোড করতে পারবেন।
  • ব্লগারের আরও একটি অন্যতম সুবিধা হচ্ছে এখানে কোন স্টোরেজ সীমা নেই। আপনি যতখুশি ইচ্ছা স্টোরেজ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।
  • এখানে কোন প্রকার কোডিং ছাড়াই ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে যদি আপনার HTML সম্পর্কে কিছুটা ধারনা থাকে তাহলে ব্লগারে যেকোনো ধরনের ডিজাইন করতে পারবেন।
  • ব্লগারে ব্লগিং করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এখানে আপনি ফ্রি সাবডোমেইন ব্যবহার করেই গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যেটি ব্লগিং থেকে আয় এর সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম।
  • আপনি চাইলে সাবডোমেইন এর পরিবর্তে যেকোনো সময় যেকোনো মুহূর্তে টপ লেভেল ডোমেইন ব্লগারে যুক্ত করতে পারেন।

ব্লগারের অসুবিধা সমূহ:

ব্লগার যেহেতু সম্পূর্ণ ফ্রি তাই এখানে কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে যা গুগলের পলিসি এবং গাইডলাইন এর আওতাধীন।

  • আপনি চাইলে ব্লগারে HTML কোড এডিট করতে পারেন। তবে যে সমস্ত কোড গুগোল ফর্মুলা এর সাথে ম্যাচ করবে না গুগোল সেটা ডিলিট করে দিতে পারে।
  • ব্লগারে ওয়ার্ডপ্রেসের মত কোন প্রকার প্লাগিন ব্যবহার করা যায় না।
  • ব্লগারে তৈরি করা ব্লগ নিজে থেকেই গুগলে ইনডেক্স হয় না। সেটা ম্যানুয়ালি ইনডেক্স করে নিতে হয়। তবে এটা তেমন কোন সমস্যা নয়।
  • গুগোল এর কিছু গাইডলাইনস রয়েছে যেখানে কোন কোন বিষয় সম্পর্কে আপনি ব্লগারে লেখালেখি করতে পারবেন না এবং কোন ধরনের ডকুমেন্ট আপলোড করতে পারবেন না সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা রয়েছে। আপনি যদি গুগোল পলিসি বা তাদের গাইডলাইনস এর বাইরে কোন বিষয়ে লেখালেখি করেন বা কোন ডকুমেন্ট আপলোড করেন তাহলে গুগোল চাইলে যেকোনো সময় আপনার ব্লগ ডিলিট করে দিতে পারে।

ওয়ার্ডপ্রেসWordPress

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস এমন প্রশ্নে ওয়ার্ডপ্রেস সবসময় এগিয়ে থাকবে। কারন, ব্লগিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে WordPress। তবে ওয়ার্ডপ্রেস দুই ধরনের হয়ে থাকে একটি হচ্ছে WordPress.com এবং অন্যটি WordPress.org। তবে এখানে আমি WordPress.org সম্পর্কে আলোচনা করব।

WordPress/ওয়ার্ডপ্রেস মূলত একটি সফটওয়্যার। যেখানে ডোমেইন এবং হোস্টিং সেটআপ এর মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করা হয়। অর্থাৎ এখানে ব্লগিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে। ডোমেইন এবং হোস্টিং ছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করা যায় না। আপনি এখানে নিজের ইচ্ছামত যা খুশি তাই করতে পারেন। অর্থাৎ কাস্টমাইজেশন থেকে শুরু করে এখানে কোন প্রকার বাধ্যবাধকতা নেই। WordPress/ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরী ব্লগ বা ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সাইটের মালিকের নিকট থাকে। তবে এডসেন্স থেকে উপার্জনের জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস এর সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ

সুবিধা সমূহ

  • WordPress/ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ ফ্রি এবং কোন প্রকার কোডিং না জেনেই আপনার পূর্ণাঙ্গ একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।
  • এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পাবেন। সুতরাং কোন প্রকার টার্মস বা কোন পলিসির জন্য আপনার সাইটটি কেউ বন্ধ করতে পারবে না।
  • এখানে অসংখ্য ফ্রি এবং পেইড প্লাগিন রয়েছে। যা ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে প্রফেশনাল সব ধরনের ফিচার যোগ করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে ও প্রচুর সংখ্যক ফ্রি এবং প্রিমিয়াম থিম রয়েছে যা ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি আপনার সাইটের ডিজাইন অনেক সুন্দর করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে Google/গুগল Analytics/অ্যানালিটিকস এর মত পাওয়ারফুল সব ধরনের টুলস ও ব্যবহার করতে পারবেন।
  • E-Commerce/ই-কমার্স সাইট তৈরীর জন্য ব্লগার থেকে ওয়ার্ডপ্রেস অনেক বেশি উত্তম।
  • ওয়ার্ডপ্রেসের নতুন ভার্সন আপডেট এর জন্য শুধু মাত্র একটি ক্লিকের মাধ্যমেই আপডেট কাজ সম্পাদন করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেসের অসুবিধা সমূহ

  • বেশিরভাগ মানুষ প্রথমে ফ্রিতে ব্লগিং শুরু করতে চান তাই তাদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস নয়। এখানে ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য আপনাকে ডোমেইন এর পাশাপাশি ভালো একটি হোস্টিং কিনতে হবে। কেননা হোস্টিং ভালো না হলে সার্চ ইঞ্জিনে রেংকিং থেকে শুরু করে নানাবিধ সমস্যায় পড়বেন।
  • আপনার সাইটে যত সংখ্যক ভিজিটর আসবে সেই অনুযায়ী হোস্টিং কিনতে হবে। সাইটে ভিজিটর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে পাওয়ারফুল হোস্টিং এর প্রয়োজন হবে নতুবা আপনার সাইটটি ডাউন হয়ে যাবে। এই বিষয়টি Bandwidth এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।
  • ব্যাকআপ ওয়ার্ডপ্রেসের অন্য একটি সমস্যা। বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি হোস্টিং এর সাথে ব্রেকআপ এর অপশন ও দিয়ে থাকে তবে আপনি বিভিন্ন প্লাগিন ব্যবহার করতে পারেন। মোটকথা ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য আপনাকে ব্যাকআপ এর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস এর মধ্যে আরো একটি প্রশ্ন থেকে যায়, সেটা হলো WordPress.comআমাদের দেশে WordPress.com এর ব্যবহার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। আর এই বিষয়ে মানুষের আগ্রহ ও তেমন নেই। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের মনে WordPress.com এবং WordPress.org সম্পর্কে কিছু ভুল ধারনা থাকে। যার জন্য WordPress.com সম্পর্কে নিচে অল্প বিস্তর কিছু আলোচনা করা হলো।

WordPress.com কি?

WordPress .com এবং .org দুটি সম্পূর্ণই একে অপরের থেকে ভিন্ন এবং ভিন্ন কোম্পানি। আমরা সবাই ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার পেছনে উপার্জনের অনেক বড় একটি উদ্দেশ্য থাকে। যেটা WordPress.com এর ক্ষেত্রে খুব একটা সুবিধাজনক নয়। WordPress.com হল ব্লগার এর মত একটি প্লাটফর্ম। যেখানে আপনি কোন প্রকার হোস্টিং ডোমেইন না কিনে ফ্রিতে ব্লগিং করতে পারেন। এক্ষেত্রে তারা আপনাকে গুগল ব্লগারের মত সাবডোমেইন প্রোভাইড করবে যেমন “yourname.wordpress.com”

WordPress.com এর সুবিধা

সুবিধা অসুবিধার কথা বলতে গেলে WordPress.com মূলত ব্লগারের মত সুবিধা প্রদান করে থাকে।

  • এখানে আপনি ব্লগার এর মত বিভিন্ন থিম ব্যবহার করতে পারবেন।
  • এখানে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ব্যাকআপ নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ আপনার একাউন্টে অটোমেটিকভাবে ব্যাকআপ থাকবে।
  • আপনি চাইলে WordPress.com এর নিজস্ব হোস্টিং সার্ভারে আপনার সাইট টি যেকোনো সময় সরিয়ে নিতে পারবেন।
  • টপ লেভেল ডোমেইন যুক্ত করার ক্ষেত্রে WordPress.com এর নিকট থেকে আপনাকে ডোমেইন কিনতে হবে।

WordPress.com এর অসুবিধা

  • এখানে আপনি চাইলে এইচটিএমএল কোড এর কোন পরিবর্তন করতে পারবেন না।
  • WordPress.com থেকে উপার্জনের জন্য তাদের নিজস্ব বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা WordAds ব্যবহার করতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই প্রিমিয়াম বা বিজনেস প্ল্যান ইউজার হতে হবে।
  • এখানে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে উপার্জন করা যায় না।

WordPress.com এর হোস্টিং সার্ভিস এবং তার মূল্য নিচে দেয়া হল।

  • Free – Very limited.
  • Personal – $48 per year
  • Premium – $96 per year
  • Business – $300 per year
  • E-commerce – $540 per year
  • VIP – starting at $5000 per year

ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস সিদ্ধান্ত

আসলে ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস এমন প্রশ্নের উত্তরে ব্লগিং এর জন্য প্লাটফর্ম বাছাই করা মুশকিল।

ব্লগিংয়ে যদি আপনার পূর্বে কোন ধরনের অভিজ্ঞতাই না থাকে তাহলে আমি আপনাকে বলব অবশ্যই ব্লগার দিয়ে শুরু করুন। কারণ নতুনদের জন্য ব্লগার এর বিকল্প কোন প্লাটফর্ম নেই। তবে আপনি যদি লেখালিখিতে প্রফেশনাল হয়ে থাকেন অর্থাৎ একজন প্রফেশনাল লেখক হয়ে থাকেন তাহলে আমি ওয়ার্ডপ্রেস সাজেস্ট করবো।

ব্লগিং প্লাটফর্ম এ ব্লগার এর স্বাদ নিতে হলে প্রথমেই আপনাকে ব্লগার ব্যবহার করতে হবে। নতুবা একবার ওয়ার্ডপ্রেসে মুভ করলে আপনি কখনোই ব্লগারে ফিরে যেতে চাইবেন না। কারণ ব্লগার পাওয়ারফুল কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস বেটার

=শেষ কথা=

নিজের সল্প জ্ঞ্যান থেকে ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস এ সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম। সুতরাং উপরের আলোচনার আলোকে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস কোন প্লাটফর্ম আপনার জন্য উপযোগী।

Share this

3 thoughts on “ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস, কোনটি ব্যবহার করবেন?”

Leave a Comment